সম্পূর্ণ নিউজ Sunnah TV Bangladesh সুন্নাহ টিভি বাংলাদেশ

প্রচ্ছদ / রাজনীতি
১১:২৫ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২৬

হাজী নজরুলের পক্ষে ফেসবুকে সরব এমপি গাজী নজরুল

হাজী নজরুলের পক্ষে ফেসবুকে সরব এমপি গাজী নজরুল

চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে চেয়ারম্যান, পক্ষে সরব এমপি গাজী নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ মিনিটে পড়ুন |

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম (হাজী নজরুল) চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর তাঁর পক্ষে সরব হয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ইউপি চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠানো ও তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগকে ‘কঠিন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের ফল’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

বুধবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজে চেয়ারম্যানের পক্ষে পোস্ট দিয়ে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ বর্ণচোরা মুখোশের আড়ালে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র করে নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর অমানবিক চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি লেখেন, “শ্যামনগরে বুড়িগোয়ালিনীর দুবারের সফল চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার নয়, মহামান্য হাইকোর্টের দেওয়া জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানো এবং তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মুখরোচক অপপ্রচার প্রতিপক্ষের কঠিন চক্রান্ত। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শ্যামনগরবাসী এখনই রুখে না দাঁড়ালে ভবিষ্যতে ন্যায় ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্বের উদ্ভব কঠিন হয়ে পড়তে পারে।”

মামলার প্রেক্ষাপট ও অভিযোগ
উল্লেখ্য, হাজি নজরুল ইসলাম শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য। জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও হুমকির অভিযোগে গত ২৪ মে তাঁর বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘আর-রাদ করপোরেশন’-এর আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় চেয়ারম্যান, তাঁর ছেলে আবদুর রহমানসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০–২৫ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী:

চাঁদা দাবি: গত ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করা, কর্মীদের হত্যা ও স্থাপনায় আগুন দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

হামলা ও ছিনতাই: ২৩ মে প্রকল্প এলাকায় প্রকৌশলী জাহিদ হাসান ও কর্মী ফেরদৌসকে মারধর করা হয়। এ সময় প্রকৌশলী জাহিদের স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়।

অভিযোগ অস্বীকার ও আইনি প্রক্রিয়া
তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর দাবি, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনার সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার পর উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন পেয়েছিলেন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী বিশ্বজিৎ মণ্ডল। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গত সোমবার সাতক্ষীরার নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী পবিত্র কুমার জানান, সরকারি কাজে বাধা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে জামিনের বিরোধিতা করা হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম (হাজী নজরুল) চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর তাঁর পক্ষে সরব হয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ইউপি চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠানো ও তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগকে ‘কঠিন চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের ফল’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

বুধবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজে চেয়ারম্যানের পক্ষে পোস্ট দিয়ে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ বর্ণচোরা মুখোশের আড়ালে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র করে নিজেদের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর অমানবিক চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি লেখেন, “শ্যামনগরে বুড়িগোয়ালিনীর দুবারের সফল চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার নয়, মহামান্য হাইকোর্টের দেওয়া জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানো এবং তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মুখরোচক অপপ্রচার প্রতিপক্ষের কঠিন চক্রান্ত। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শ্যামনগরবাসী এখনই রুখে না দাঁড়ালে ভবিষ্যতে ন্যায় ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্বের উদ্ভব কঠিন হয়ে পড়তে পারে।”

মামলার প্রেক্ষাপট ও অভিযোগ
উল্লেখ্য, হাজি নজরুল ইসলাম শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সদস্য। জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও হুমকির অভিযোগে গত ২৪ মে তাঁর বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘আর-রাদ করপোরেশন’-এর আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় চেয়ারম্যান, তাঁর ছেলে আবদুর রহমানসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০–২৫ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী:

চাঁদা দাবি: গত ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করা, কর্মীদের হত্যা ও স্থাপনায় আগুন দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

হামলা ও ছিনতাই: ২৩ মে প্রকল্প এলাকায় প্রকৌশলী জাহিদ হাসান ও কর্মী ফেরদৌসকে মারধর করা হয়। এ সময় প্রকৌশলী জাহিদের স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও আনা হয়।

অভিযোগ অস্বীকার ও আইনি প্রক্রিয়া
তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর দাবি, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনার সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার পর উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন পেয়েছিলেন চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী বিশ্বজিৎ মণ্ডল। জামিনের মেয়াদ শেষ হলে গত সোমবার সাতক্ষীরার নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী পবিত্র কুমার জানান, সরকারি কাজে বাধা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে জামিনের বিরোধিতা করা হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও Sunnah TV Bangladesh সুন্নাহ টিভি বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম