
রাঙ্গামাটিতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে গাউসিয়া কমিটির জশনে জুলুস
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও রাঙ্গামাটিতে জশনে জুলুস (বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা) করেছে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) জুমার নামাজের পর শহরের রিজার্ভ বাজার থেকে জশনে জুলুসটি বের হয়। পরে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপা এলাকায় গিয়ে শোভাযাত্রাটি শেষ হয়।
জশনে জুলুসে ব্যানার, ফেস্টুন ও নানা সাজে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন বয়সী মানুষ অংশ নেন। পুরো শোভাযাত্রায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ধর্মীয় আবহ তৈরি হয়।
জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ মাওলানা হাফেজ আবদুল আলিম রেজভী।
রাঙ্গামাটি জেলা গাউসিয়া কমিটির আহ্বায়ক হাজী আলী আকবর সওদাগরের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব শামীম জাহাঙ্গীরের পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বনরূপা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ইকবাল হোসাইন আল ক্বাদেরী এবং রিজার্ভ বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু নওশাদ নঈমী।
এ সময় আমানতবাগ জামে মসজিদের খতিব আলহাজ মো. আখতার হোসেন চৌধুরী, কাঠালতলী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শফিউল আলম আল ক্বাদেরী, পুরাতন বাস স্টেশন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সুলতান মাহমুদ, তৈয়বিয়া সুন্নিয়া জামে মসজিদের খতিব হাফেজ ক্বারী মাওলানা নঈম উদ্দিন আল ক্বাদেরীসহ বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয়ভাবে জশনে জুলুস পালনের আহ্বান
জুলুস শেষে বনরূপা জামে মসজিদে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে জশনে জুলুসও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা বলেন, ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেন। তিনি সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে আবির্ভূত হয়ে তাঁর জীবন ও শিক্ষার মাধ্যমে শান্তি, সৌহার্দ্য, সাম্য ও মানবতার বার্তা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।












Design and Development by : webnewsdesign.com