সম্পূর্ণ নিউজ Sunnah TV Bangladesh সুন্নাহ টিভি বাংলাদেশ

প্রচ্ছদ / বাংলাদেশ
১২:৪৫ এএম, ১ আগস্ট ২০২৬

‘তারেক রহমান দুর্নীতি না চাইলে সবাই কীভাবে দুর্নীতিতে জড়ায়?’— প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

‘তারেক রহমান দুর্নীতি না চাইলে সবাই কীভাবে দুর্নীতিতে জড়ায়?’— প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

‘তারেক রহমান দুর্নীতি না চাইলে সবাই কীভাবে দুর্নীতিতে জড়ায়?’— প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি সত্যিই দুর্নীতির বিরুদ্ধে থাকেন, তাহলে সরকারের অন্যরা কীভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে— এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সরকার যখন নিজেরাই ব্যর্থতার কথা স্বীকার করছে, তখন নৈতিকভাবে তাদের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুলের বক্তব্য টেনে প্রশ্ন

এর আগে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক অনুষ্ঠানে বলেন, মন্ত্রী হিসেবে চার থেকে পাঁচ মাস দায়িত্ব পালন করে তিনি দেখেছেন, প্রশাসনে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। যারা আগে ঘুষ নিত, তারা এখনও একইভাবে ঘুষ নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং ভালো কাজেও আগের মতো বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়া আর কোনো পরিবর্তন হয়নি। যদি সেটিই সত্য হয়, তাহলে প্রশ্ন হলো— প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি না চাইলে সরকারের সবাই কীভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে?

তার ভাষায়, “আমরা তো দেখি প্রধানমন্ত্রীর ইশারায় সবকিছু চলে। তাহলে তার ইশারায় দুর্নীতি বন্ধ হয় না কেন? সরকার যখন নিজেরাই ব্যর্থতার কথা বলছে, তখন তাদের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক ভিত্তি কোথায়?”

তিনি আরও বলেন, “মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অনুযায়ী, একজন ছাড়া সবাই দুর্নীতিতে লিপ্ত, আর সেই একজন হলেন তারেক রহমান। বিষয়টি আমার বোধগম্য নয়। প্রধানমন্ত্রী যদি দুর্নীতি না চান, তাহলে সরকারের অন্যরা কীভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে?”

কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি নিয়েও সমালোচনা

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতির কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।

তার অভিযোগ, বাসস্ট্যান্ড, ট্রাকস্ট্যান্ড, সিএনজি স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজির মাধ্যমে যে অবৈধ আয়ের ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, সেটাকেই যেন কর্মসংস্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

‘শ্রমিকরাই সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজির শিকার’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, শহীদদের বড় একটি অংশই ছিলেন শ্রমিক। অথচ আজ তারাই সবচেয়ে বেশি চাঁদাবাজির শিকার।

তিনি আরও বলেন, একজন সরকারি হুইপ মন্তব্য করেছেন— বিদেশ থেকে কেউ এসে দেশ চালালেও চাঁদাবাজি বন্ধ করা যাবে না। ডা. শফিকুর রহমানের ভাষায়, “এ ধরনের বক্তব্য চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার শামিল।”

সম্মেলনে নতুন কমিটি গঠন

বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবির আহমদের সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপিসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের ৫১ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের উত্থাপিত ১২ দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও Sunnah TV Bangladesh সুন্নাহ টিভি বাংলাদেশ সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম