
কর্নেল (অব.) অলি আহমদের দেওয়া সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যগুলো আরও সহজ, সাবলীল এবং আকর্ষণীয়ভাবে নিচে তুলে ধরা হলো:
সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের রাজনৈতিক আদর্শ, নীতি এবং মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
🔹 নীতি ও আদর্শে অটল: কেন বিএনপি ছেড়েছিলেন?
সুশাসনের দাবি: বিএনপি সরকারের তৎকালীন সময়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন— সুশাসন প্রতিষ্ঠা করুন এবং দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় এনে জেলে পাঠান। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সুশাসন না পাওয়ায় তিনি দল থেকে বের হয়ে আসেন।
দলীয় বাধার মুখে অটল নীতি: ১৯৯১ সালে যোগাযোগমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালে তিনি দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল এমপির জন্য কাজ করেছিলেন। দল থেকে কেবল বিএনপির জন্য কাজ করার চাপ এলে তিনি সরাসরি পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছি, বিএনপির মন্ত্রী হিসেবে নয়। প্রয়োজনে পদ ছাড়ব, কিন্তু বেইমানি বা মোনাফেকি করতে পারব না।”
🔹 ১৯৭১-এর বীরত্বগাথা ও স্বাধীনতার ঘোষণা
সম্মুখ সারির যোদ্ধা: দেশের প্রতিটি সংকটকালে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৭১ সালে যখন পুরো জাতি দিশেহারা, তখন তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে সাথে নিয়ে বিদ্রোহ গড়ে তোলেন।
কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র: তিনি নিজেই জিয়াউর রহমানকে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে পাশাপাশি বসে থাকা অবস্থাতেই শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তৎকালীন সময়ে তিনি ছিলেন একজন তরুণ ক্যাপ্টেন।
জিয়াউর রহমানের আমলের ভূমিকা: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ঘটা ১৯টি সামরিক অভ্যুত্থান বা ক্রুর প্রতিটিতেই তিনি সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ভূমিকা রেখেছিলেন।
🔹 সমালোচকদের উত্তর
নিজের অবদান সত্ত্বে হওয়া সমালোচনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখন অনেকে আমাকে গালি দেয়, বলে আমি নাকি মেম্বারও হতে পারব না। তবে আমি এসবের জবাবে কিছু বলি না— কারণ যার চিন্তাভাবনার যে স্তর, সে সেভাবেই কথা বলবে।”










Design and Development by : webnewsdesign.com