
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় মোদি জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ দ্রুত বিচার আদালত (ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট) গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
মোদি লিখেছেন,
“আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”
তিনি আরও বলেন,
“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
তবে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরও আন্দোলনের মাঠ ছাড়তে রাজি নন বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, শুধু বিচার প্রক্রিয়ার ঘোষণা নয়, প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় স্বীকার করে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, সরকারের আশ্বাসে নয়, দৃশ্যমান পদক্ষেপেই তাদের আস্থা ফিরবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। এখন মোদির নতুন ঘোষণা আন্দোলনের গতি কতটা কমাতে পারে, সেদিকেই নজর পুরো ভারতের।










Design and Development by : webnewsdesign.com